Hey Bet শুধু একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম নয় — এটি বাংলাদেশের কোটি ক্রিকেটপ্রেমী ও খেলাপ্রিয় মানুষের জন্য একটি বিশ্বস্ত গন্তব্য। আমরা বিশ্বাস করি, সততা ও স্বচ্ছতার উপর ভিত্তি করে গড়া প্ল্যাটফর্মই দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকে।
২০১৯ সালের শেষ দিকে একদল তরুণ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা লক্ষ্য করলেন যে বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মগুলো বেশিরভাগই বিদেশি ভাষায় চলে, স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতি সমর্থন করে না এবং বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের সুনির্দিষ্ট চাহিদা পূরণ করতে পারে না। এই সমস্যাটিই তাদের অনুপ্রাণিত করল Hey Bet তৈরি করতে।
শুরুটা ছিল ছোট পরিসরে — মাত্র কয়েকজন ডেভেলপার ও একটি স্বপ্ন। লক্ষ্য ছিল এমন একটি প্ল্যাটফর্ম বানানো যেখানে একজন রাজশাহীর চা বাগানের কর্মী থেকে ঢাকার তরুণ উদ্যোক্তা পর্যন্ত সবাই সমান সহজে বেট করতে পারেন। বিকাশ বা নগদে টাকা পাঠানো যেমন সহজ, hey bet-এ বেট করাও যেন ততটাই সহজ হয়।
Hey Bet-এর প্রতিষ্ঠাতা দলের মূল বিশ্বাস ছিল — একজন বাংলাদেশি ব্যবহারকারী যদি বিশ্বমানের বেটিং অভিজ্ঞতা পেতে চান, তাহলে সেটা তাঁর নিজের ভাষায়, নিজের পেমেন্ট পদ্ধতিতে পাওয়া উচিত।
২০২০ সালে hey bet আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে এবং প্রথম তিন মাসেই ৫০,০০০ এর বেশি ব্যবহারকারী নিবন্ধন করেন। এটা শুধু সংখ্যা নয় — এটা ছিল একটি প্রমাণ যে বাংলাদেশের মানুষ সত্যিই এমন একটি প্ল্যাটফর্মের জন্য অপেক্ষায় ছিলেন।
আজ hey bet বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত। ক্রিকেট সিজনে আমাদের লাইভ বেটিং সেকশনে প্রতিদিন লক্ষাধিক বেট হয়। আইপিএল বা বিশ্বকাপের সময় সেই সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। কিন্তু আমাদের দলের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যাটা হলো ব্যবহারকারীদের সন্তুষ্টির হার — এবং সেটা আমরা সবসময় ৯৮%-এর উপরে রাখতে সক্ষম হয়েছি।
আমাদের প্রযুক্তি দল প্রতিনিয়ত প্ল্যাটফর্মটিকে আরও দ্রুত, আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলছে। ম্যাচের সময় অডস আপডেটের গতি, পেমেন্ট প্রক্রিয়াকরণের দ্রুততা এবং মোবাইল অভিজ্ঞতার মসৃণতা — এই তিনটি বিষয়ে hey bet সবসময় শী র্ষে থাকার চেষ্টা করে।
hey bet শুধু একটি ব্যবসা নয়, এটি একটি সম্প্রদায়। আমাদের হাজার হাজার সক্রিয় সদস্য প্রতিদিন একে অপরের সাথে স্কোর, বিশ্লেষণ ও টিপস শেয়ার করেন। আমাদের ফোরাম ও সোশ্যাল চ্যানেলগুলো বাংলাদেশের ক্রিকেট আলোচনার একটি প্রাণবন্ত কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
আমাদের ছয়টি মূল বৈশিষ্ট্য যা আমাদের আলাদা করে তোলে
Hey Bet-এর পুরো প্ল্যাটফর্ম বাংলায় পরিচালিত। মেনু, নির্দেশনা, কাস্টমার সাপোর্ট — সবকিছু মাতৃভাষায়। বিদেশি সাইটে ইংরেজি বুঝতে গিয়ে সময় নষ্ট করতে হবে না।
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে সরাসরি ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল করুন। কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন নেই।
256-bit SSL এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত প্রতিটি লেনদেন। আপনার অর্থ ও ব্যক্তিগত তথ্য সম্পূর্ণ নিরাপদ। প্রতিটি বেটের ইতিহাস স্বচ্ছভাবে ট্র্যাক করা যায়।
ম্যাচ শুরু হওয়ার পরেও বেট করুন। প্রতিটি বলে, প্রতিটি ওভারে অডস আপডেট হয়। লাইভ স্কোর ও স্ট্যাটিস্টিক্স দেখতে দেখতে সেরা মুহূর্তে বেট করুন।
নতুন সদস্যদের জন্য ১৫০% ওয়েলকাম বোনাস, প্রতি সপ্তাহে ক্যাশব্যাক অফার এবং বিশেষ টুর্নামেন্টে এক্সক্লুসিভ প্রোমোশন। নিয়মিত খেলোয়াড়রা ভিআইপি প্রোগ্রামের সুবিধা পান।
যেকোনো সমস্যায় দিনরাত যোগাযোগ করুন। লাইভ চ্যাট, ইমেইল বা ফোনে বাংলায় সাহায্য পাবেন। গড়ে ৩ মিনিটের মধ্যে সাড়া পাওয়া যায়।
শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের বড় মাইলফলকগুলো
একদল তরুণ উদ্যোক্তা বাংলাদেশের বেটিং বাজারের শূন্যতা লক্ষ্য করেন এবং hey bet-এর কনসেপ্ট নিয়ে কাজ শুরু করেন। প্রযুক্তি ও ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতার উপর ফোকাস করে মূল প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়।
Hey Bet আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হয়। প্রথম তিন মাসেই ৫০,০০০ ব্যবহারকারী নিবন্ধন করেন। বিকাশ ও নগদ পেমেন্ট ইন্টিগ্রেশন যোগ করা হয় যা প্ল্যাটফর্মকে সম্পূর্ণ আলাদা করে তোলে।
লাইভ বেটিং ফিচার চালু হয় এবং লাইভ ক্যাসিনো বিভাগ যোগ করা হয়। সদস্য সংখ্যা ২ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়। মোবাইল অ্যাপের প্রথম ভার্সন রিলিজ হয়।
ভিআইপি লয়্যালটি প্রোগ্রাম চালু হয়। ই-স্পোর্টস বিভাগ যোগ করা হয়। সদস্য সংখ্যা ৫ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের অফিশিয়াল বেটিং পার্টনার হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া যায়।
Hey Bet ১০ লক্ষ নিবন্ধিত সদস্যের মাইলফলক স্পর্শ করে। নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি ও ক্রিপ্টো সাপোর্ট যোগ করা হয়। অ্যাপ সম্পূর্ণ নতুনভাবে ডিজাইন করা হয়।
প্ল্যাটফর্ম আপগ্রেড করে আরও দ্রুত ও স্থিতিশীল করা হয়। ৫০টিরও বেশি স্পোর্টস বিভাগ সক্রিয়। বাংলাদেশের শীর্ষ অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্বীকৃতি।
যে নীতিগুলো আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তের ভিত্তি
প্রতিটি অডস, প্রতিটি নিয়ম, প্রতিটি শর্ত — সব কিছু স্পষ্টভাবে বাংলায় জানানো হয়। কোনো লুকানো চার্জ বা বিভ্রান্তিকর শর্ত নেই।
বেটিং আনন্দের জন্য, চাপের জন্য নয়। আমরা সবসময় দায়িত্বশীল গেমিং সমর্থন করি এবং ব্যবহারকারীদের সীমা নির্ধারণের সুবিধা দিই।
আমরা সর্বোচ্চ মানের সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রযুক্তি থেকে শুরু করে কাস্টমার সাপোর্ট পর্যন্ত সবকিছুতে আমরা সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি।
Hey Bet শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি একটি পরিবার। আমাদের সদস্যরা একে অপরকে সহায়তা করেন এবং একসাথে খেলার আনন্দ উপভোগ করেন।
যাঁরা Hey Bet-কে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন
১২ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের অগ্রদূতদের একজন।
সিলিকন ভ্যালি ফেরত প্রকৌশলী। বড় পরিসরের রিয়েল-টাইম সিস্টেম আর্কিটেকচারে বিশেষজ্ঞ।
ব্যবহারকারীর সন্তুষ্টিই তাঁর মিশন। তাঁর নেতৃত্বে hey bet-এর সাপোর্ট টিম দেশের সেরা।
প্রাক্তন ক্রিকেট বিশ্লেষক। তাঁর দল নিশ্চিত করে যে hey bet-এর অডস সবসময় ন্যায্য ও প্রতিযোগিতামূলক।
Hey Bet বিশ্বাস করে যে বেটিং মজার একটি অভিজ্ঞতা হওয়া উচিত — কখনো বোঝা নয়। তাই আমরা শুরু থেকেই দায়িত্বশীল গেমিংকে আমাদের মূল নীতির অংশ করেছি। আমাদের প্ল্যাটফর্মে প্রতিটি ব্যবহারকারী নিজের দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক বেটের সীমা নিজেই ঠিক করতে পারেন।
আমাদের অ্যালগরিদম স্বয়ংক্রিয়ভাবে অস্বাভাবিক বেটিং প্যাটার্ন শনাক্ত করে এবং সেই ব্যবহারকারীকে সহায়তার প্রস্তাব দেয়। ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য hey bet-এ কঠোর বয়স যাচাইয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা চাই প্রতিটি সদস্য হাসিমুখে আমাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করুন।
Hey Bet-এ সেলফ-এক্সক্লুশন ফিচার রয়েছে। যদি কোনো কারণে বিরতি নিতে চান, তাহলে এক ক্লিকে ১ দিন থেকে ৬ মাস পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে পারবেন।
আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় রয়েছে আরও বেশি স্থানীয় টুর্নামেন্ট কভার করা, বাংলাদেশের তরুণ ক্রিকেটারদের সমর্থন করা এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নে অবদান রাখা। Hey Bet শুধু একটি ব্যবসায়িক উদ্যোগ নয় — এটি বাংলাদেশের ডিজিটাল বিপ্লবের একটি অংশ।
আপনি যদি hey bet-এর পরিবারের অংশ না হয়ে থাকেন, তাহলে আজই যোগ দিন। নিবন্ধন প্রক্রিয়া মাত্র ৩০ সেকেন্ডের — শুধু মোবাইল নম্বর দিয়ে শুরু করুন এবং প্রথম ডিপোজিটে ১৫০% বোনাস পান। আমরা আপনার জন্য অপেক্ষায় আছি।